বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আমির অধ্যক্ষ রমজান আলী বলেছেন, বোন ও ফুফুদের ওয়ারিশি সম্পদ নিজেদের কাছে রেখে ইবাদত কবুল হওয়ার আশা করা যায় না। যাদের কাছে অন্যের হক রয়েছে, তারা দ্রুত তা পরিশোধ করে দিন।
শনিবার (১০ মে) সকালে জেলার করিমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য (রুকন) বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যক্ষ রমজান আলী বলেন, স্ত্রীর মহরানা অনাদায়ী থাকলে তা দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে বোন ও ফুফুদের প্রাপ্য ওয়ারিশি সম্পদ বুঝিয়ে দেওয়ার বিষয়েও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। অন্যের হক নষ্ট করে কোনো ইবাদতই পরিপূর্ণ হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের কর্মীদের সাহিত্য অধ্যয়নের অভ্যাস বাড়াতে হবে, নিয়মিত জামায়াতে নামাজ আদায়ের চেষ্টা করতে হবে এবং কোরআন-হাদিস অধ্যয়নে কোনো ধরনের গাফলতি করা যাবে না। এ স্তরের জনশক্তির কাছে এমন অবহেলা কাম্য নয়।
করিমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল কাসেম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে ও উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি তৌহিদ সরকারের সঞ্চালনায় বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি শামসুল আলম সেলিম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারী রিয়াদি, উপজেলা নায়েবে আমির মাওলানা জোবায়ের আহমেদ, সেক্রেটারি মাওলানা নাজিম উদ্দিনসহ উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য ও রুকনরা।
