পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘আস্থা’। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আজ শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার মসূয়া-আমতলী সড়কের দুই পাশে শতাধিক ফলজ ও বনজ চারা রোপণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। তরুণদের এই সবুজ উদ্যোগ স্থানীয় মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।
কর্মসূচিতে মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল, মসূয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন, মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয় মসজিদের খতিব ক্বারী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, তরুণ সমাজসেবক কামরুল হাসান সোহাগ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আল আমিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনটি সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন সামাজিক সংগঠন ‘আস্থা’র নির্বাহী পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কবির ও হুমায়ুন কবির মঙ্গল। এছাড়াও কর্মসূচিতে মনির হোসেন জনি, মোফাজ্জল হোসেন, মো. রাফি, রুহান মিয়া ও আরমান হোসেনসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্য ও স্থানীয় যুবসমাজ অংশ নেন।
মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের কোনো বিকল্প নেই। যেভাবে দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে আমাদের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে। তরুণদের এই সামাজিক সংগঠন 'আস্থা' যেভাবে মসূয়া-আমতলী সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। আশা করি, তারা শুধু গাছ লাগিয়েই ক্ষান্ত হবে না, এগুলোকে বড় করে তোলা পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যাও করবে।
মসূয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন বলেন, একটি দেশের পরিবেশের সুরক্ষায় ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন, যা আমাদের নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী ক্ষতি থেকে আমাদের এই অঞ্চলকে বাঁচাতে বেশি বেশি গাছ লাগানো দরকার। 'আস্থা' সংগঠনের এই সবুজ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। তরুণ সমাজ যদি এভাবে সামাজিক ও পরিবেশগত দায়িত্বে এগিয়ে আসে, তবে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
‘আস্থা’র নেতৃবৃন্দ জানান, শুধু গাছ রোপণই নয়, চারাগুলো সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত পরিচর্যাও করা হবে। পরিবেশের সুরক্ষায় সমাজের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুন ২০২৬
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘আস্থা’। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আজ শনিবার (৬ জুন) বিকেলে উপজেলার মসূয়া-আমতলী সড়কের দুই পাশে শতাধিক ফলজ ও বনজ চারা রোপণ করেন সংগঠনের সদস্যরা। তরুণদের এই সবুজ উদ্যোগ স্থানীয় মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।
কর্মসূচিতে মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল, মসূয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন, মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয় মসজিদের খতিব ক্বারী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, তরুণ সমাজসেবক কামরুল হাসান সোহাগ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আল আমিন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনটি সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন সামাজিক সংগঠন ‘আস্থা’র নির্বাহী পরিষদের সদস্য হুমায়ুন কবির ও হুমায়ুন কবির মঙ্গল। এছাড়াও কর্মসূচিতে মনির হোসেন জনি, মোফাজ্জল হোসেন, মো. রাফি, রুহান মিয়া ও আরমান হোসেনসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্য ও স্থানীয় যুবসমাজ অংশ নেন।
মসূয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক তাপস কুমার পাল বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছের কোনো বিকল্প নেই। যেভাবে দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে আমাদের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে। তরুণদের এই সামাজিক সংগঠন 'আস্থা' যেভাবে মসূয়া-আমতলী সড়কে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়। আশা করি, তারা শুধু গাছ লাগিয়েই ক্ষান্ত হবে না, এগুলোকে বড় করে তোলা পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যাও করবে।
মসূয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাসান আল মামুন বলেন, একটি দেশের পরিবেশের সুরক্ষায় ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন, যা আমাদের নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী ক্ষতি থেকে আমাদের এই অঞ্চলকে বাঁচাতে বেশি বেশি গাছ লাগানো দরকার। 'আস্থা' সংগঠনের এই সবুজ উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। তরুণ সমাজ যদি এভাবে সামাজিক ও পরিবেশগত দায়িত্বে এগিয়ে আসে, তবে আমাদের সমাজ আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
‘আস্থা’র নেতৃবৃন্দ জানান, শুধু গাছ রোপণই নয়, চারাগুলো সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য নিয়মিত পরিচর্যাও করা হবে। পরিবেশের সুরক্ষায় সমাজের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন