কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৬তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলার ৫০ বিঘার বেশি জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত ১৪টি প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ অনুমোদনের ফলে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে জেলার উচ্চশিক্ষার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৬তম সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলার ৫০ বিঘার বেশি জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত ১৪টি প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ অনুমোদনের ফলে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে জেলার উচ্চশিক্ষার অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

আপনার মতামত লিখুন