যে জমিতে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাঁড়িয়ে ছিল সোনালি বোরো ধান, আজ সেই জমিতেই সবুজ আউশের চারা।
বোরো ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টি আর আকস্মিক প্লাবনে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অনেক কৃষকের। কর্তনের আগ মুহূর্তে পানিতে তলিয়ে যায় ধান, অনেকেই বাঁচাতে পারেননি খড়টুকুও।
তাই লোকসানের হিসাব ভুলে আবারও মাঠে ফিরেছেন কৃষকেরা। নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় শুরু করেছেন আউশের আবাদ।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আদিত্যপাশা, খামা ও মঠখোলা এলাকায় এখন দেখা মিলছে সেই চিত্র। কোথাও জমিতে রোপণ করা হচ্ছে আউশের চারা, কোথাও চলছে সার ও সেচের কাজ।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, আকস্মিক বন্যা ও টানা বর্ষণে উপজেলায় প্রায় ২০০ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রণোদনার আওতায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ।
চণ্ডিপাশা, ঘাগড়া, হরশি, সুখিয়া ও এগারোসিন্দুরে তৈরি করা হয়েছে কমিউনিটি বীজতলা। সেখান থেকে উৎপাদিত উন্নতমানের আউশের চারা বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বোরো ও আমন মৌসুমের মাঝখানের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে আউশ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ বলছে, আউশ একটি স্বল্পমেয়াদি উচ্চ ফলনশীল ফসল। সঠিক পরিচর্যা করলে কম সময়েই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।
তাই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অনেক কৃষকই এখন আউশ আবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
বোরো মৌসুমে প্রকৃতির কাছে হার মেনেছিলেন অনেক কৃষক। তবে সেই হতাশা পেছনে ফেলে আবারও মাঠে ফিরেছেন তারা। এখন তাদের আশা, আউশের সবুজ চারা একদিন লোকসানের সেই ক্ষত কিছুটা হলেও মুছে দেবে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুন ২০২৬
যে জমিতে কয়েক সপ্তাহ আগেও দাঁড়িয়ে ছিল সোনালি বোরো ধান, আজ সেই জমিতেই সবুজ আউশের চারা।
বোরো ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টি আর আকস্মিক প্লাবনে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অনেক কৃষকের। কর্তনের আগ মুহূর্তে পানিতে তলিয়ে যায় ধান, অনেকেই বাঁচাতে পারেননি খড়টুকুও।
তাই লোকসানের হিসাব ভুলে আবারও মাঠে ফিরেছেন কৃষকেরা। নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় শুরু করেছেন আউশের আবাদ।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার আদিত্যপাশা, খামা ও মঠখোলা এলাকায় এখন দেখা মিলছে সেই চিত্র। কোথাও জমিতে রোপণ করা হচ্ছে আউশের চারা, কোথাও চলছে সার ও সেচের কাজ।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, আকস্মিক বন্যা ও টানা বর্ষণে উপজেলায় প্রায় ২০০ হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কৃষকদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রণোদনার আওতায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ।
চণ্ডিপাশা, ঘাগড়া, হরশি, সুখিয়া ও এগারোসিন্দুরে তৈরি করা হয়েছে কমিউনিটি বীজতলা। সেখান থেকে উৎপাদিত উন্নতমানের আউশের চারা বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বোরো ও আমন মৌসুমের মাঝখানের সময়টুকু কাজে লাগিয়ে আউশ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।
কৃষি বিভাগ বলছে, আউশ একটি স্বল্পমেয়াদি উচ্চ ফলনশীল ফসল। সঠিক পরিচর্যা করলে কম সময়েই ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব।
তাই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অনেক কৃষকই এখন আউশ আবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
বোরো মৌসুমে প্রকৃতির কাছে হার মেনেছিলেন অনেক কৃষক। তবে সেই হতাশা পেছনে ফেলে আবারও মাঠে ফিরেছেন তারা। এখন তাদের আশা, আউশের সবুজ চারা একদিন লোকসানের সেই ক্ষত কিছুটা হলেও মুছে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন