কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতে বাছুর হারানো সেই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজ বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার নিয়ে তার বাড়িতে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।
এসময় ওই বিধবার হাতে এসব সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এতে খুশি হন তিনি।
সহায়তা বিতরনকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আবদুল মান্নানসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত ৪জুন পাকুন্দিয়া পৌরসদরের চরপাকুন্দিয়া এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের বিধবা চম্পা বেগমের একটি বাছুর মারা যায়। একমাত্র সম্বল এই বাছুরটি হারিয়ে আহাজারি শুরু করেন চম্পা বেগম।
এনিয়ে কিশোরগঞ্জ প্রেস- এ সচিত্র সংবাদ পরিবেশিত হয়। যা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে পড়ে।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ওই বিধবার পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও একইদিনে সম্প্রতি বজ্রপাতে আহত দুই পরিবারকেও একই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বজ্রপাতে বাছুর হারানো সেই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আজ বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার নিয়ে তার বাড়িতে হাজির হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস।
এসময় ওই বিধবার হাতে এসব সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এতে খুশি হন তিনি।
সহায়তা বিতরনকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মোহাম্মদ আবদুল মান্নানসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, গত ৪জুন পাকুন্দিয়া পৌরসদরের চরপাকুন্দিয়া এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গ্রামের বিধবা চম্পা বেগমের একটি বাছুর মারা যায়। একমাত্র সম্বল এই বাছুরটি হারিয়ে আহাজারি শুরু করেন চম্পা বেগম।
এনিয়ে কিশোরগঞ্জ প্রেস- এ সচিত্র সংবাদ পরিবেশিত হয়। যা স্থানীয় প্রশাসনের নজরে পড়ে।
পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ওই বিধবার পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগদ অর্থ সহায়তা ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও একইদিনে সম্প্রতি বজ্রপাতে আহত দুই পরিবারকেও একই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন