কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেসা-এর এনটিআরসিএ সনদ ভুয়া ও জাল প্রমাণিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাঁর ইনডেক্স বাতিল এবং উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
আজ সোমবার (২৯জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরতিক এক অফিস আদেশে তাকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডে আদেশ পত্রটি পাওয়া গেছে।
ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলাধীন মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেছা (ইনডেক্স নং-এন ২০৯৮৫৯৭) এর এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া মর্মে কাজী শরিফুল ইসলাম অত্র অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। উক্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য রংপুর বিভাগের পরিদর্শক মো.আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
তৎপ্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)) প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আমিরুন্নেসা ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০০৯ সালের রেজিঃ নং-৯০০১৭৬৯৬/২০০৯, রোল নং-৪৩১১০২৬৪ এর দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয়। দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি জাল ও ভুয়া মর্মে প্রমাণিত।
এমতাবস্থায় ওই শিক্ষকের এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তার ইনডেক্স বাতিল (কর্তন) পূর্বক এমপিওভুক্তির তারিখ হতে উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.শহীদ উল্লাহ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেন ফোন দিয়েছেন। অধিদপ্তরে ফোন দেন বলে ফোন কেটে দেন।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ শারফুল ইসলাম বলেন, ইনডেক্স বাতিল হলে সেটা ফেরত পাওয়া কঠিনসাধ্য বিষয়।
প্রসঙ্গত, ইতোপূর্বে ওই শিক্ষকের (আমিরুন্নেসা) বিরুদ্ধে একই মাদ্রাসার অপর এক শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছিল।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেসা-এর এনটিআরসিএ সনদ ভুয়া ও জাল প্রমাণিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তাঁর ইনডেক্স বাতিল এবং উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।
আজ সোমবার (২৯জুন) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরতিক এক অফিস আদেশে তাকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ডে আদেশ পত্রটি পাওয়া গেছে।
ওই পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলাধীন মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক (আরবি) আমিরুন্নেছা (ইনডেক্স নং-এন ২০৯৮৫৯৭) এর এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া মর্মে কাজী শরিফুল ইসলাম অত্র অধিদপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। উক্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য রংপুর বিভাগের পরিদর্শক মো.আসাদুজ্জামানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
তৎপ্রেক্ষিতে গত ২৩ এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী ওই শিক্ষকের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)) প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, আমিরুন্নেসা ৫ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা-২০০৯ সালের রেজিঃ নং-৯০০১৭৬৯৬/২০০৯, রোল নং-৪৩১১০২৬৪ এর দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয়। দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটি জাল ও ভুয়া মর্মে প্রমাণিত।
এমতাবস্থায় ওই শিক্ষকের এনটিআরসিএ সনদ জাল ও ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় তার ইনডেক্স বাতিল (কর্তন) পূর্বক এমপিওভুক্তির তারিখ হতে উত্তোলনকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে জমা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে মিরদী ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.শহীদ উল্লাহ-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেন ফোন দিয়েছেন। অধিদপ্তরে ফোন দেন বলে ফোন কেটে দেন।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ শারফুল ইসলাম বলেন, ইনডেক্স বাতিল হলে সেটা ফেরত পাওয়া কঠিনসাধ্য বিষয়।
প্রসঙ্গত, ইতোপূর্বে ওই শিক্ষকের (আমিরুন্নেসা) বিরুদ্ধে একই মাদ্রাসার অপর এক শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছিল।

আপনার মতামত লিখুন