কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আলোচিত শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের উত্তর ঝিড়ারপার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শফিকুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও এখনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে আসামিদের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
নিহত শফিকুল ইসলামের বোন ও মামলার বাদী বেগম (৪৭) বলেন, “আমরা যাদের সন্দেহ করছি এবং যাদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে চেয়েছি, তাদের নাম নিতে প্রশাসন আগ্রহ দেখায়নি। যিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাকেও আমাদের সন্দেহভাজনদেরই ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তাদের নামে মামলা নেওয়া হচ্ছে না। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
নিহতের স্ত্রী রিমা আক্তার বলেন, “আমার স্বামীর সঙ্গে ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমির, মজিবুর, বাদশা, বাবুল, হারুন ও সবুজের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। হত্যাকাণ্ডের আগেও তারা একাধিকবার আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং হত্যার হুমকি দেয়। তারা যেভাবে হুমকি দিয়েছিল, সেভাবেই আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমির হোসেন আমাকে হুমকি দিচ্ছেন। আমি ও আমার দুই সন্তান চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
মানববন্ধনে সহস্রাধিক গ্রামবাসী অংশ নেন। তারা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগান দেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে আলোচিত শফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপজেলার লোহাজুরি ইউনিয়নের উত্তর ঝিড়ারপার এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শফিকুল ইসলামকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলেও এখনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হয়নি। বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে প্রকৃত অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে আসামিদের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
নিহত শফিকুল ইসলামের বোন ও মামলার বাদী বেগম (৪৭) বলেন, “আমরা যাদের সন্দেহ করছি এবং যাদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে চেয়েছি, তাদের নাম নিতে প্রশাসন আগ্রহ দেখায়নি। যিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাকেও আমাদের সন্দেহভাজনদেরই ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছি, তাদের নামে মামলা নেওয়া হচ্ছে না। আমরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
নিহতের স্ত্রী রিমা আক্তার বলেন, “আমার স্বামীর সঙ্গে ইউনিয়ন কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমির, মজিবুর, বাদশা, বাবুল, হারুন ও সবুজের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। হত্যাকাণ্ডের আগেও তারা একাধিকবার আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং হত্যার হুমকি দেয়। তারা যেভাবে হুমকি দিয়েছিল, সেভাবেই আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এখনো আমির হোসেন আমাকে হুমকি দিচ্ছেন। আমি ও আমার দুই সন্তান চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”
মানববন্ধনে সহস্রাধিক গ্রামবাসী অংশ নেন। তারা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে স্লোগান দেন।

আপনার মতামত লিখুন