কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ফাহাদ বিন মাহির ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিনে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এক পক্ষ হামলার অভিযোগ তুলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্য পক্ষ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত ১ জুলাই (বুধবার) রাত ১০টার পর উপজেলা পরিষদের সামনে দিলালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতির বাসার নিচতলায় জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাজিতপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আনাস ইব্রাহিম।
লিখিত বক্তব্যে আনাস ইব্রাহিম বলেন, এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বিকেল ৫টার দিকে সরারচর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন বাজিতপুর উপজেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফাহাদ বিন মাহি। এ সময় বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইফতেখার হায়দার ইফতির নির্দেশে ১০ জন সশস্ত্র নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে ফাহাদ বিন মাহি আহত হন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতেই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এর পরদিন, ২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরারচর রিপোর্টার্স ক্লাবে বাজিতপুর উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইফতেখার হায়দার ইফতি বলেন, "কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আনাস ইব্রাহিম আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ছাত্রদলকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।"
তিনি বলেন, "বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং সত্য প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
দুই দিনের এই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাজিতপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহিদুল্লাহ বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক ফাহাদ বিন মাহির ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিনে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এক পক্ষ হামলার অভিযোগ তুলে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্য পক্ষ অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
গত ১ জুলাই (বুধবার) রাত ১০টার পর উপজেলা পরিষদের সামনে দিলালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতির বাসার নিচতলায় জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাজিতপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আনাস ইব্রাহিম।
লিখিত বক্তব্যে আনাস ইব্রাহিম বলেন, এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণ’ মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বুধবার বিকেল ৫টার দিকে সরারচর রেলস্টেশনে অবস্থান করছিলেন বাজিতপুর উপজেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফাহাদ বিন মাহি। এ সময় বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইফতেখার হায়দার ইফতির নির্দেশে ১০ জন সশস্ত্র নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এতে ফাহাদ বিন মাহি আহত হন বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতেই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
এর পরদিন, ২ জুলাই (বৃহস্পতিবার) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সরারচর রিপোর্টার্স ক্লাবে বাজিতপুর উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ইফতেখার হায়দার ইফতি বলেন, "কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আনাস ইব্রাহিম আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ছাত্রদলকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।"
তিনি বলেন, "বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে এসব বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং সত্য প্রকাশে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।"
দুই দিনের এই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাজিতপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহিদুল্লাহ বলেন, "এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আপনার মতামত লিখুন