ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ফেরার পথে ট্রেনে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষার্থী। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। অজ্ঞান চক্রের সদস্যরা তাদের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা হলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমরান ও বাঁধন রায়।
ভুক্তভোগী মো. ইমরানের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ব্রহ্মপুত্র ট্রেনে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন। গফরগাঁও হয়ে তাদের কিশোরগঞ্জে ফেরার কথা ছিল।
পথিমধ্যে ট্রেনটি গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে পৌঁছালে তারা একজন হকারের কাছ থেকে চানাচুর কিনে খান। চানাচুর খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই, গফরগাঁও পৌঁছানোর আগেই তারা দুজনই অচেতন হয়ে পড়েন।
এ সুযোগে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের কাছে থাকা দুটি স্মার্টফোন, বাঁধন রায়ের কাছে থাকা নগদ ৩ হাজার টাকা এবং ইমরানের কাছে থাকা কিছু নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।
অচেতন থাকায় তারা নির্ধারিত গন্তব্যে নামতে পারেননি। পরে ট্রেনটি শেষ গন্তব্য জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশনে পৌঁছালে এক ব্যক্তি তাদের ট্রেনের ভেতর অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ ফেরার পথে ট্রেনে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের দুই শিক্ষার্থী। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। অজ্ঞান চক্রের সদস্যরা তাদের কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোন ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগীরা হলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইমরান ও বাঁধন রায়।
ভুক্তভোগী মো. ইমরানের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ব্রহ্মপুত্র ট্রেনে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা করেন। গফরগাঁও হয়ে তাদের কিশোরগঞ্জে ফেরার কথা ছিল।
পথিমধ্যে ট্রেনটি গাজীপুরের জয়দেবপুর স্টেশনে পৌঁছালে তারা একজন হকারের কাছ থেকে চানাচুর কিনে খান। চানাচুর খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই, গফরগাঁও পৌঁছানোর আগেই তারা দুজনই অচেতন হয়ে পড়েন।
এ সুযোগে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাদের কাছে থাকা দুটি স্মার্টফোন, বাঁধন রায়ের কাছে থাকা নগদ ৩ হাজার টাকা এবং ইমরানের কাছে থাকা কিছু নগদ অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।
অচেতন থাকায় তারা নির্ধারিত গন্তব্যে নামতে পারেননি। পরে ট্রেনটি শেষ গন্তব্য জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ রেলস্টেশনে পৌঁছালে এক ব্যক্তি তাদের ট্রেনের ভেতর অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে রেলওয়ে পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন। ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন