কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়নের মাছিমপুর ও কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক স্বাস্থ্যকর্মীর অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ উঠেছে। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না থাকা এবং কর্মস্থলে তাকে না পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।
মঙ্গলবার (২ জুন) সরেজমিনে মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী মাহমুদা আক্তারকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের কথা জানান।
তবে ক্লিনিকের হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৭ মে থেকে পরিদর্শনের দিন পর্যন্ত সেখানে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। পরে কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের হাজিরা খাতাও দেখা হলে গত ১১ কর্মদিবসের মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ দিনের স্বাক্ষর পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে মাহমুদা আক্তার বলেন, তিনি মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশাপাশি কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় অনেক সময় ক্লিনিকে উপস্থিত থাকা সম্ভব হয় না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক তার মূল কর্মস্থল। পাশাপাশি সপ্তাহে এক বা দুই দিন কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে। কিন্তু দুই ক্লিনিকের হাজিরা খাতা ও স্থানীয়দের বক্তব্যে তার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসাস্থল। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত উপস্থিত না থাকলে সাধারণ রোগীরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহীন বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি জোরদার করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়নের মাছিমপুর ও কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক স্বাস্থ্যকর্মীর অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ উঠেছে। হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না থাকা এবং কর্মস্থলে তাকে না পাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সেবাগ্রহীতারা।
মঙ্গলবার (২ জুন) সরেজমিনে মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী মাহমুদা আক্তারকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের কথা জানান।
তবে ক্লিনিকের হাজিরা খাতা পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ১৭ মে থেকে পরিদর্শনের দিন পর্যন্ত সেখানে তার কোনো স্বাক্ষর নেই। পরে কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের হাজিরা খাতাও দেখা হলে গত ১১ কর্মদিবসের মধ্যে মাত্র ৫ থেকে ৬ দিনের স্বাক্ষর পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে মাহমুদা আক্তার বলেন, তিনি মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের পাশাপাশি কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকায় অনেক সময় ক্লিনিকে উপস্থিত থাকা সম্ভব হয় না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাছিমপুর কমিউনিটি ক্লিনিক তার মূল কর্মস্থল। পাশাপাশি সপ্তাহে এক বা দুই দিন কামালপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কথা রয়েছে। কিন্তু দুই ক্লিনিকের হাজিরা খাতা ও স্থানীয়দের বক্তব্যে তার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসাস্থল। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত উপস্থিত না থাকলে সাধারণ রোগীরা প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুস সালেহীন বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। দায়িত্ব পালনে কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এদিকে কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
স্থানীয়দের দাবি, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং ও তদারকি জোরদার করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন