কিশোরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
উদ্বোধন
শেষে জেলা প্রশাসক শিশুদের মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে
কর্মসূচির সূচনা করেন। এ সময় বিপুল
সংখ্যক অভিভাবক তাদের ৬ থেকে ৫৯
মাস বয়সী শিশুদের নিয়ে ক্যাম্পেইনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা
সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপক বক্তব্য
দেন।
বক্তারা
বলেন, শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে ভিটামিন
‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ
এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই ৬ থেকে ৫৯
মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের
আওতায় ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
ক্যাম্পেইনের
আওতায় ৬ থেকে ১১
মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং
১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী
শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো
হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে
প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত
হচ্ছে। কোনো যোগ্য শিশু যেন ক্যাম্পেইনের বাইরে না থাকে, সে
বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।
উদ্বোধন
শেষে জেলা প্রশাসক শিশুদের মুখে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে
কর্মসূচির সূচনা করেন। এ সময় বিপুল
সংখ্যক অভিভাবক তাদের ৬ থেকে ৫৯
মাস বয়সী শিশুদের নিয়ে ক্যাম্পেইনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা
সিভিল সার্জন ডা. মো. নাজমুল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অধ্যাপক বক্তব্য
দেন।
বক্তারা
বলেন, শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশে ভিটামিন
‘এ’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধ
এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তাই ৬ থেকে ৫৯
মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের
আওতায় ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
ক্যাম্পেইনের
আওতায় ৬ থেকে ১১
মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং
১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী
শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো
হচ্ছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে
প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত
হচ্ছে। কোনো যোগ্য শিশু যেন ক্যাম্পেইনের বাইরে না থাকে, সে
বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন