কিশোরগঞ্জের নোহার
নান্দলা ফাজিল
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস
সালাম
আকন্দের বিরুদ্ধে আনা
অর্থ
আত্মসাৎ ও
অনিয়মের অভিযোগকে মিথ্যা,
বানোয়াট ও
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি
করে
মানববন্ধন করেছেন
বর্তমান ও
প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং
স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব
আঞ্চলিক মহাসড়কের চৌদ্দশত পেট্রোল পাম্পসংলগ্ন এলাকায়
আয়োজিত
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে কয়েকশ
মানুষ
অংশ
নেন।
বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত
সত্য
উদঘাটন
এবং
মিথ্যা
অভিযোগ
প্রমাণিত হলে
সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি
জানান।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো.
শফিকুল
ইসলাম
বলেন,
তিনি
ও
তার
ভাই-বোন সবাই এই
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।
তাঁর
দাবি,
প্রতিষ্ঠানটি কখনো
অতিরিক্ত অর্থ
আদায়
করেনি;
বরং
আর্থিকভাবে অসচ্ছল
শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময়
সহযোগিতা করেছে।
একটি
মহল
মাদ্রাসা ও
অধ্যক্ষের সুনাম
ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও
তিনি
অভিযোগ
করেন।
শাহীন
আলম
বলেন,
তিনি
ও
তার
পরিবারের সদস্যরাও এই
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তার
ভাষ্য,
অধ্যক্ষ কখনো
অতিরিক্ত অর্থ
নেননি;
বরং
অনেক
ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অনুরোধে কম
টাকায়
পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। তাই
তাঁর
বিরুদ্ধে আনা
দুর্নীতির অভিযোগ
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে
তিনি
দাবি
করেন।
বর্তমান শিক্ষার্থী মরিয়ম
আক্তার
বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে
অধ্যক্ষের নেতৃত্বে লেখাপড়া করছেন
তারা।
তাঁর
দাবি,
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে
অধ্যক্ষের আচরণ
সবসময়
ইতিবাচক ছিল
এবং
মাদ্রাসার শিক্ষা
কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে।
তাই
তিনি
অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান
জানান।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী তরিকুল
ইসলাম
বলেন,
ব্যক্তিস্বার্থে একটি
মহল
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে
বলে
তাঁদের
ধারণা।
তিনি
অভিযোগের সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত
সত্য
উদঘাটনের দাবি
জানান।
নোহার
নান্দলা ফাজিল
মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ
সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
১৯৬৩
সালে
প্রতিষ্ঠার পর
থেকে
মাদ্রাসাটি সুনামের সঙ্গে
পরিচালিত হয়ে
আসছে।
তাঁর
দাবি,
অধ্যক্ষ আব্দুস
সালাম
আকন্দের বিরুদ্ধে আনা
দুর্নীতি ও
অনিয়মের অভিযোগ
ভিত্তিহীন। তিনি
অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত
এবং
সত্য
উদঘাটনের দাবি
জানান।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শফিকুল
ইসলাম
বলেন,
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে
তাঁরা
সেগুলোকে ভিত্তিহীন বলে
মনে
করেছেন। তাঁর
দাবি,
শিক্ষার্থীদের কাছ
থেকে
অর্থ
গ্রহণের ক্ষেত্রে রশিদ
দেওয়া
হয়েছে
এবং
আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা কমিটির
কাছে
নিয়মিত
উপস্থাপন করা
হয়।
বই
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কমিশন
ও
মাটি
কাটার
অর্থ
নিয়ে
যেসব
অভিযোগ
করা
হয়েছে,
সেগুলোও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে
তিনি
মন্তব্য করেন।
তাঁর
ভাষ্য,
উদ্বৃত্ত অর্থ
মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজেই
ব্যয়
করা
হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে এক অভিভাবক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আকন্দের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ, সরকারি প্রকল্পের অর্থের অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থের হিসাব গোপন রাখার অভিযোগ তোলেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই রোববার বৃষ্টির মধ্যেও বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। তারা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
কিশোরগঞ্জের নোহার
নান্দলা ফাজিল
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস
সালাম
আকন্দের বিরুদ্ধে আনা
অর্থ
আত্মসাৎ ও
অনিয়মের অভিযোগকে মিথ্যা,
বানোয়াট ও
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি
করে
মানববন্ধন করেছেন
বর্তমান ও
প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং
স্থানীয় বাসিন্দারা।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে
কিশোরগঞ্জ-ভৈরব
আঞ্চলিক মহাসড়কের চৌদ্দশত পেট্রোল পাম্পসংলগ্ন এলাকায়
আয়োজিত
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে কয়েকশ
মানুষ
অংশ
নেন।
বক্তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত
সত্য
উদঘাটন
এবং
মিথ্যা
অভিযোগ
প্রমাণিত হলে
সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত
ব্যবস্থা নেওয়ার
দাবি
জানান।
এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক মো.
শফিকুল
ইসলাম
বলেন,
তিনি
ও
তার
ভাই-বোন সবাই এই
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।
তাঁর
দাবি,
প্রতিষ্ঠানটি কখনো
অতিরিক্ত অর্থ
আদায়
করেনি;
বরং
আর্থিকভাবে অসচ্ছল
শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময়
সহযোগিতা করেছে।
একটি
মহল
মাদ্রাসা ও
অধ্যক্ষের সুনাম
ক্ষুণ্নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলেও
তিনি
অভিযোগ
করেন।
শাহীন
আলম
বলেন,
তিনি
ও
তার
পরিবারের সদস্যরাও এই
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তার
ভাষ্য,
অধ্যক্ষ কখনো
অতিরিক্ত অর্থ
নেননি;
বরং
অনেক
ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের অনুরোধে কম
টাকায়
পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। তাই
তাঁর
বিরুদ্ধে আনা
দুর্নীতির অভিযোগ
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে
তিনি
দাবি
করেন।
বর্তমান শিক্ষার্থী মরিয়ম
আক্তার
বলেন,
দীর্ঘদিন ধরে
অধ্যক্ষের নেতৃত্বে লেখাপড়া করছেন
তারা।
তাঁর
দাবি,
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে
অধ্যক্ষের আচরণ
সবসময়
ইতিবাচক ছিল
এবং
মাদ্রাসার শিক্ষা
কার্যক্রমও স্বাভাবিক রয়েছে।
তাই
তিনি
অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান
জানান।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী তরিকুল
ইসলাম
বলেন,
ব্যক্তিস্বার্থে একটি
মহল
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে
বলে
তাঁদের
ধারণা।
তিনি
অভিযোগের সুষ্ঠু
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত
সত্য
উদঘাটনের দাবি
জানান।
নোহার
নান্দলা ফাজিল
মাদ্রাসা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ
সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন,
১৯৬৩
সালে
প্রতিষ্ঠার পর
থেকে
মাদ্রাসাটি সুনামের সঙ্গে
পরিচালিত হয়ে
আসছে।
তাঁর
দাবি,
অধ্যক্ষ আব্দুস
সালাম
আকন্দের বিরুদ্ধে আনা
দুর্নীতি ও
অনিয়মের অভিযোগ
ভিত্তিহীন। তিনি
অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত
এবং
সত্য
উদঘাটনের দাবি
জানান।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শফিকুল
ইসলাম
বলেন,
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করে
তাঁরা
সেগুলোকে ভিত্তিহীন বলে
মনে
করেছেন। তাঁর
দাবি,
শিক্ষার্থীদের কাছ
থেকে
অর্থ
গ্রহণের ক্ষেত্রে রশিদ
দেওয়া
হয়েছে
এবং
আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা কমিটির
কাছে
নিয়মিত
উপস্থাপন করা
হয়।
বই
প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কমিশন
ও
মাটি
কাটার
অর্থ
নিয়ে
যেসব
অভিযোগ
করা
হয়েছে,
সেগুলোও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে
তিনি
মন্তব্য করেন।
তাঁর
ভাষ্য,
উদ্বৃত্ত অর্থ
মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজেই
ব্যয়
করা
হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে এক অভিভাবক মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সালাম আকন্দের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ, আর্থিক অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ, সরকারি প্রকল্পের অর্থের অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থের হিসাব গোপন রাখার অভিযোগ তোলেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই রোববার বৃষ্টির মধ্যেও বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয়রা মানববন্ধন করেন। তারা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন