বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় যখন কাঁপছে পুরো বিশ্ব, তখন সেই আবহ ছড়িয়ে পড়েছে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়েও। আবাসিক শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্র হলে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা দেখার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হল প্রশাসন। পাশাপাশি আয়োজনের আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে ১২ হাজার টাকার একটি চেকও তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মাশরাফি মর্তুজা ছাত্র হলে বিশ্বকাপ খেলা দেখার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন করেন। শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত সময়ের মধ্যেই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হয়।
এ বিষয়ে মাশরাফি মর্তুজা বলেন, “আমরা ছাত্র রাজনীতি করি শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। শিক্ষার্থীবান্ধব যেকোনো উদ্যোগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমাদের সবসময় পাশে পাবেন। ফুটবল বিশ্বকাপ শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় বিনোদনের মাধ্যম। এখানে দল-মত নির্বিশেষে সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। এমন একটি আয়োজনের অংশ হতে পেরে আমি এবং আমার ইউনিট আনন্দিত। পাশাপাশি দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানাই।”
প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন শিক্ষার্থীবান্ধব পদক্ষেপে আনন্দিত সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। শাফীউল মুজনিবীন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার হল ও ক্যাম্পাস উভয় জায়গায় খেলা উপভোগ করা যাবে। প্রশাসন আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করছে। আশা করছি, এবার আমাদের একটি স্মরণীয় বিশ্বকাপ কাটবে।”
ছাত্র হলের প্রভোস্ট মাজহারুল হক জুবায়েদ বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর মতো আমাদের হলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাননীয় উপাচার্যের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করার পর তিনি দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলেই অল্প সময়ের মধ্যে আয়োজনটি সম্ভব হয়েছে।”
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “খেলা চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুইজন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া এই আয়োজন শুধু হলের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। হাউস টিউটররাও সার্বিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করেছেন।”
হল প্রশাসনের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ইতিবাচক ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় যখন কাঁপছে পুরো বিশ্ব, তখন সেই আবহ ছড়িয়ে পড়েছে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়েও। আবাসিক শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্র হলে বড় পর্দায় বিশ্বকাপ খেলা দেখার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হল প্রশাসন। পাশাপাশি আয়োজনের আনুষঙ্গিক ব্যয় নির্বাহের জন্য শিক্ষার্থীদের হাতে ১২ হাজার টাকার একটি চেকও তুলে দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি মাশরাফি মর্তুজা ছাত্র হলে বিশ্বকাপ খেলা দেখার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক আবেদন করেন। শিক্ষার্থীদের এই যৌক্তিক দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত সময়ের মধ্যেই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হয়।
এ বিষয়ে মাশরাফি মর্তুজা বলেন, “আমরা ছাত্র রাজনীতি করি শিক্ষার্থীদের স্বার্থে। শিক্ষার্থীবান্ধব যেকোনো উদ্যোগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে আমাদের সবসময় পাশে পাবেন। ফুটবল বিশ্বকাপ শিক্ষার্থীদের অন্যতম বড় বিনোদনের মাধ্যম। এখানে দল-মত নির্বিশেষে সবাই আনন্দে মেতে ওঠে। এমন একটি আয়োজনের অংশ হতে পেরে আমি এবং আমার ইউনিট আনন্দিত। পাশাপাশি দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানাই।”
প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন শিক্ষার্থীবান্ধব পদক্ষেপে আনন্দিত সাধারণ শিক্ষার্থীরাও। শাফীউল মুজনিবীন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম বড় পর্দায় খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার হল ও ক্যাম্পাস উভয় জায়গায় খেলা উপভোগ করা যাবে। প্রশাসন আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করছে। আশা করছি, এবার আমাদের একটি স্মরণীয় বিশ্বকাপ কাটবে।”
ছাত্র হলের প্রভোস্ট মাজহারুল হক জুবায়েদ বলেন, “অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর মতো আমাদের হলেও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের এই প্রত্যাশা পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাননীয় উপাচার্যের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করার পর তিনি দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। তাঁর আন্তরিক সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলেই অল্প সময়ের মধ্যে আয়োজনটি সম্ভব হয়েছে।”
নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “খেলা চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুইজন কর্মচারী দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া এই আয়োজন শুধু হলের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। হাউস টিউটররাও সার্বিক তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করেছেন।”
হল প্রশাসনের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ইতিবাচক ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন