কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আরও একধাপ অগ্রগতি হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় প্রস্তাবিত ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য যৌথ তদন্ত তালিকা প্রকাশ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়। কিশোরগঞ্জের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ সালের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য এই ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এরই মধ্যে সরজমিনে প্রস্তাবিত ভূমির যৌথ তদন্ত তালিকা প্রস্তুত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন, ২০১৭-এর ১২ ও ১৩ নং অনুচ্ছেদের নির্দেশিকা অনুযায়ী এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকাশিত যৌথ তদন্ত তালিকায় বর্ণিত জমির বিবরণীর বিরুদ্ধে মালিকপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট কারও কোনো ধরনের আপত্তি থাকলে, তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই আপত্তিগুলো ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত এই ৭ কর্মদিবসের পর কোনো আপত্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য হয় না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এই গণবিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এবং জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রস্তাবিত ভূমির প্রকাশ্য স্থানে ও নোটিশ বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় আরও একধাপ অগ্রগতি হয়েছে। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পাটধা ও রঘুনন্দনপুর মৌজায় প্রস্তাবিত ১০৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য যৌথ তদন্ত তালিকা প্রকাশ করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে জেলা প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা থেকে এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়। কিশোরগঞ্জের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ সালের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য এই ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এরই মধ্যে সরজমিনে প্রস্তাবিত ভূমির যৌথ তদন্ত তালিকা প্রস্তুত করার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন, ২০১৭-এর ১২ ও ১৩ নং অনুচ্ছেদের নির্দেশিকা অনুযায়ী এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রকাশিত যৌথ তদন্ত তালিকায় বর্ণিত জমির বিবরণীর বিরুদ্ধে মালিকপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট কারও কোনো ধরনের আপত্তি থাকলে, তা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, এই আপত্তিগুলো ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মহোদয় বরাবর দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত এই ৭ কর্মদিবসের পর কোনো আপত্তি সাধারণত গ্রহণযোগ্য হয় না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এই গণবিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়রসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এবং জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রস্তাবিত ভূমির প্রকাশ্য স্থানে ও নোটিশ বোর্ডে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন